Thin Content কি এবং এর বিস্তারিত (A Must Read Guide)

Thin Content কি এবং এর বিস্তারিত (A Must Read Guide)

Thin content সর্বপ্রথম introduce করে গুগল তার February 23, 2011 Panda Update এ। তারা ঐসব সাইটগুলোকে পেনাল্টি দেয় যারা অটোমেটিক কন্টেন্ট জেনারেট করে সাইট বানাচ্ছিল অথবা কিওয়ার্ডের irrelevant আর্টিকেল লিখছিল। 

Thin content বলতে বুঝায়, যে কন্টেন্টটা কোনো ভ্যালু এড করবে না অথবা করলেও তা খুব সামান্য। মাঝে মাঝে Duplicate page, Affiliate and *Scraped content এবং *Doorway pages Thin Content এর আওতায় পরে। 

সোজা কথায় আপনার সাইটের কোনো কন্টেন্ট যখন সার্চ রেজাল্টের কোয়ালিড়ি ইম্প্রুভ করবে না, অথবা রিডারদের কোনো ভ্যালু এড করবে না, সেটাই হলো Thin Content. 

(Be noted here, রিসার্চ করে করে tons of ডেটা এবং ইনফরমেশন কন্টেন্টে এড করলেই কিন্তু কন্টেন্টের ভ্যালু বাড়ে না। নিয়ে বিস্তারিত আমার অন্যান্য পোস্টে বলা রয়েছে।)

এখানে উদাহরণ স্বরুপ বলা যায়, আপনি যখন আপনার কিওয়ার্ড দিয়ে গুগলে সার্চ করেন, এবং আপনার সেই সার্চ query এর যে উত্তর পান, ওই উত্তরটাই বা ওই কথাগুলো নিয়েই যদি আপনার কন্টেন্ট টা লিখেন, তারমানে আপনি আলাদা কোনো ভ্যালু এড করছেন না আপনার সাইটে এবং এই ইন্টারনেট জগতে। That means you are publishing thin content!

তো এখন প্রশ্ন জাগতেই পারে, আপনার বা আমার সব আর্টিকেলই তাহলে Thin Content এর আওতায় পরে না??

না। তখনই আপনার আর্টিকেল Thin Content এর আওতায় পরবে না যখন আপনি আপনার আর্টিকেলে রাইটার তার নিজস্ব মতামত এড করবে। এরপর ধাপে ধাপে লজিকালি explain করবে, অন্য একটা সাইটের ফরম্যাট হুবুহু নকল করবে না, rearrange করবে একদম নিজের মনের মত এবং অবশ্যই তা ইফেক্টিভ এবং রিডার ফ্রেন্ডলি হতে হবে। এবং সর্বপরি ইনফরমেশন গ্যাপ কাভার করার সর্বাত্তক চেষ্টা করতে হবে যে ইনফরমেশন টা অন্য কেউ দেয় নি। 

তো এইসব রাইটার কোথায় পাবে? সত্যিকার অর্থে যে রাইটার তাকে এসব বলে দেয়া লাগবে না আশা করি। আর যারা মনে করেন, ইংরেজি শব্দ দিয়ে আপনার সাইটের কন্টেন্ট লিখে দেয় বলে ব্যক্তিটি রাইতার, তাহলে তাদেরকে বলবো আরেকটু চিন্তা করতে, আরেকটু মার্কেট রিসার্চ করতে।

যাইহোক, মূল আলোচনায় ফিরে আসি আবার। অনেক সময় দেখবেন আপনার টপিকে নতুন কিছু আর লিখার নেই, বা নতুন করে ভ্যালু এড করার নেই। সেই ক্ষেত্রে কি করবেন? সেই ক্ষেত্রে আপনি সেইম কথাটাই ভিন্য ভাবে রিপ্রেজেন্ট করবেন, রিলেটেড টপিক এড করবেন, রিয়েল লাইফ প্রব্লেম সল্যুশন নিয়ে কথাবার্তা বলবেন। ধরেন আপনার কিওয়ার্ড হলো, আকাশের রঙ কি? সবাই বলছে, আকাশের রঙ নীল। এই কথাটাই আপনি আপনার কন্টেন্টে বলতে পারেন, আসলে আকাশের আলাদা কোনো রঙ নেই, তবে আকাশের স্তর ভেদ করে আলো যখন মানুষের চোখে এসে পড়ে তখন আকাশটা কে আমাদের চোখে নীল লাগে। 

এইখানে আসলে ইনফোরমেশন যেরকম ম্যাটার তার চেয়েও বেশি ম্যাটার the way of your writer think. How experienced your writer is. 

পরিশেষে, Thin Content কে আমরা টাইপের বলতে পারিঃ

১। Automatically generated content: Spinning করে কন্টেন্ট যেগুলো দিন আপনারা সাইটে। এছাড়াও জায়ান্ট ওয়েবসাইট owner রা সবাইই প্রায় এরকম কথাই বলেছে, Dont expect a cheap freelancer who writes 1000 words for $2 to have good grammar and copy. A robot might be better. But theoretically, that’s against the rules.

২। Scraped or copied content: আপনার কন্টেন্ট % plagiarism-free থাকতে হবে। এবং অন্যের কন্টেন্ট আইডিয়া কপি করে লিখা যাবে না।

৩। Thin affiliate pages: আপনার এফিলিয়েট পেইজ বা কন্টেন্টে যদি কমেন্ট বা রিভিউ না থাকে, তার মানে গুগল ধরে নিবে আপনার কন্টেন্ট ইউজার বা রিডারদের মধ্যে কোনো ভ্যালু এড করছে না। এবং আপনার কন্টেন্টের ইনফরমেশন গুলো যেন কোনোভাবেই জাস্ট স্টোর গুলোর ওয়েবসাইটে দেয়া তাদের ফিচারগুলো থেকে নেয়া না হয়। (আফসোস! আমার দেখা এদেশের অধিকাংশ রাইটারেরাই এইটা করে!)

৪। Doorway pages: ডোরওইয়ে পেইজ তৈরী হয়েছে একই ধরনের প্রশ্ন টার্গেট এবং র্যংক করানোর জন্য যদিও গুগোল এটা পছন্দ করে না। কারনেই গুগোল এর বিকল্প query গুলো রাখে না। ১০ টা query এর জন্য একটা পেইজ হয়ত ব্যবহার করতে পারবেন তবে যখন হাজার খানেক query করতে হবে সেটা এই পদ্ধতিতে সম্ভব হবে না। আর গুগল এটা পছন্দ করে না তার আরও একটা কারন হলো, doorway pages সর্বদা ইউজারদের multiple similar page নিইয়ে যায় অথবা সার্চ রেজাল্ট দেখায়। (Doorway Pages সম্পর্কে বিস্তারিত পাবেন নিচের দেয়া লিংকে

তো কিভাবে Thin Content এর পেনাল্টি থেকে মুক্তি পাবেন?

১। আপনার সাইটের লুক চেঞ্জ করুন। দেখেই যাতে মনে না হয় এইটা আর ১০ টা এফিলিয়েট সাইটের মত একটা সাইট। দেখে যেন এটা মনে না হয় যে, আপনি আসছেনই প্রোডাক্ট বেচতে, ইন্টারনেটে কোনো ভ্যালু এড করতে নয়!

২। যত বেশি পারেন কন্টেন্ট এড করেন তবে সিমিলার টাইটেল এবং টপিক এভয়েড করবেন।

৩। অবশ্যই মৌলিক কন্টেন্ট দিন। নিজ জ্ঞান থেকে রাইটারকে কিছু লিখতে বলুন। আপনার প্রোডাক্ট এবং নিশ সম্পর্কে আপনার রাইটারকে অনেক বেশি অবগত হতে বলুন। একজনকে দিয়েই সব নিশ লিখাবেন না। এমন এজেন্সিদের কাছ থেকে লিখা নিবেন না যারা আপনার কাছ থেকে $15 নিয়ে লিখাবে $ এর রাইটারকে দিয়ে। সেই রাইটার দিনে লিখবে কমছে কম ৩০০০ ওয়ার্ডস করে। তো বেচারা রাইটার in-depth রিসার্চ করবে কি, আপনার নিশ আর প্রোডাক্টের সাথে ভালোভাবে পরিচিতও বা হবে কিভাবে!

৪। সাইটের সব useless পেইজগুলোকে deindex করে ফেলুন।

৫। সর্বোপরি, আপনার সাইটের ওয়েব ডিজাইন এবং ad placement নিয়েও ভাবুন। অতিরিক্ত popup ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। আর, আপনার কম্পিটিটর কি তাদের এড এবং কন্টেন্ট তেমন একটা ভালোভাবে রিপ্রেজেন্ট করছে না? তাহলে আপনার এখানে huge opportunity. Content layout, content design, structure and strategy নিয়ে কাজ করুন। খুজে দেখুন আপনার কম্পিটিটরদের কোথায় কোথায় গ্যাপ আছে, কোন কোন জায়গায় আপনি make difference করতে পারবেন। শুধু SEO করেই বসে থাকবেন না। এগুলোকে গুরুত্ব দিন। এগিয়ে যাবেনই। 

About admin

Check Also

কীওয়ার্ড রিসার্চ

কীওয়ার্ড রিসার্চ এর ক্ষেত্রে কীওয়ার্ড ডিফিকাল্টি দেখা কি খুব বেশি প্রয়োজন?

কীওয়ার্ড রিসার্চ করতে গেলে অনেকেই মেট্রিকস হিসেবে প্রথমে কীওয়ার্ড ডিফিকাল্টি দেখে থাকে এবং বিভিন্ন টুলস …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *